নিজস্ব প্রতিবেদক. বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি ও খুলনা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, দেশে কোনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বা দখলবাজি চলতে দেয়া হবে না। যারা অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ দখল করবে বা মামলা বাণিজ্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খুলনা-২ আসনের সোনালী ব্যাংক চত্বরে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে কোনো ‘কার্ড’ তুলে দিয়ে তাদের অসম্মান করতে চাই না।
আমরা তাদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই। যুবকদের যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তাদের আত্মমর্যাদাশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। “গত ৫৪ টি বছর তিনটি রাজনৈতিক দল ও শাসকগোষ্ঠী আমাদেরকে বারবার দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দলীয় বাণিজ্য ও বিচারহীনতা উপহার দিয়েছে। আমরা সেই বাংলাদেশ বদলে দিয়ে একটি নতুন, বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।
১৩ তারিখ সূর্য উদিত হবে নতুন বাংলাদেশকে কাঁধে নিয়ে ইনশাআল্লাহ।”
খুলনা-২ আসনের নির্বাচন পরিচালক প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় জনসভায় বক্তৃতা করেন মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, মিম মিরাজ হোসাইন, মাওলানা শাহরুল ইসলাম, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, যুববিভাগের সভাপতি মুকাররম আনসারী, বি এল কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবির, এডভোকেট শেখ জাকিরুল ইসলাম, এডভোকেট সেলিম আল আজাদ, ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা মহানগরী সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, ও সেক্রেটারি রাকিব হাসান, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর জি এম শহিদুল ইসলাম, লবণচরা থানা আমীর মোজাফফর হোসেন, এডভোকেট আওসাফুর রহমান, এডভোকেট মাসুদুর রহমান, আব্দুস সালাম, মোস্তাফিজুর রহমান রতন, আবু পাঠান প্রমুখ।
পরে এক বিশাল গণমিছিল ডাকবাংলা সোনালী ব্যাংক চত্বর থেকে শুরু হয়ে রয়্যাল মোড় হয়ে ময়লাপোতা মোড় থেকে শিববাড়ি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।