রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাগেরহাটে রেড ক্রিসেন্ট ও পৌরসভার যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান  বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ফুলেল শুভেচ্ছা বাগেরহাটে চুরি করা ১১টি গরু উদ্ধার, ট্রাকসহ চোর সিন্ডিকেটের ৩ সদস্য আটক  মোল্লাহাটে মধুমতি নদীতে মোবাইল কোর্ট: অবৈধ জাল জব্দ, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা  ক্লিনিক সিলগালার পর,  মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামাল সাময়িক বরখাস্ত বাগেরহাটে  জলবায়ু ন্যায়বিচার আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে ‘ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম’ গঠন বাগেরহাটে মতবিরোধে খুন হয় আইনজীবি নিজাম উদ্দিন শান্ত : জড়িত দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় সাংবাদিকের জিডি বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের আধুনিক কনফারেন্স কাম এক্সিকিউটিভ রুমের উদ্বোধন বাগেরহাটে আইনজীবি নিজাম উদ্দিন শান্তর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আদালত বর্জন করে মানববন্ধন 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাগেরহাটে রেড ক্রিসেন্ট ও পৌরসভার যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান 

রিপোর্টার- / ৭ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট  ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাগেরহাট ইউনিট এবং বাগেরহাট পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযান পরিচালিত হয়েছে।শনিবার (১ আগস্ট) পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযানের প্রধান অতিথি ছিলেনবাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাগেরহাট ইউনিটের সম্মানিত সেক্রেটারি মো. মাহবুবুর রহমান টুটুল, কার্যনির্বাহী সদস্য  হাদিউজ্জামান হিরো, মো. আল-আমীন সরদার, সাবেক যুব প্রধান মো. নাইমুর রহমান, বর্তমান যুব প্রধান রাকিবুল ইসলাম, বাগেরহাট পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইনচার্জ মোহাম্মদ লিটন ও শহিদুল ইসলাম, বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব সদস্যবৃন্দ এবং বাগেরহাট পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। প্রতি শনিবার নিয়মিতভাবে এ কর্মসূচি পরিচালনা করা করা হলে জানান তারা।

অভিযান চলাকালে বাগেরহাট শহরের শালতলা থেকে পুরাতন জেলখানা এলাকায় ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা, মশার লার্ভা ও পূর্ণবয়স্ক মশা দমনে ওষুধ স্প্রে এবং ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি জনসাধারণকে বাড়ির আঙিনা ও আশপাশে কোথাও যেন পরিষ্কার পানিতে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সচেতন করা হয়।  ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত থাকলে মশাবাহিত রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ