রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের 

বাগেরহাটে কচুয়ায় নিহত যুবদল নেতার দাফন সম্পন্ন

রিপোর্টার- / ৩৯৪ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে কচুয়ায় দূর্বৃত্তের হামলায় নিহত যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫)‘র দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বাদ আসর শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। মিন্টুর নামাজে জানাজায় রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন চলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

এর আগে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারেরকাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এদিকে হত্যার একদিন পার হয়ে গেলেও, এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।

হত্যার শিকার মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে, ৬ বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে। তিনি এক সময় কচুয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দুই স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে বাড়িতে ছিলেন মিন্টু। গভীর রাতে বড় স্ত্রীর সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ৮-১০জন লোক ঘরে প্রবেশ করে মিন্টু ও তার ছোট স্ত্রীকে বেধরক মারধর এবং কুপিয়ে আহত করে। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মিন্টুর মৃত্যু হয়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মিন্টুর বড় স্ত্রী ঝর্না বেগম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এখনও কেউ অভিযোগ করেণি। অভিযোগ পেলে মামলা হবে। এছাড়া হত্যার মূল কারণ অনুসন্ধ্যানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ