সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ: মোল্লাহাটে মরদেহের দাফন-সৎকার নিয়ে উত্তেজনা রামপালে খাস জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রামপালে মানববন্ধন মল্লিকেরবেড়ে এন. আমিন হেলথ জোন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন ২০ এপ্রিল থেকে বাগেরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু  খানজাহান আলী মাজারের কুমির-কুকুর কান্ড : কুকুরটি জলাতঙ্ক সংক্রামন ছিল   বাগেরহাটের জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ষবরণ ও আনন্দ র‌্যালী বাগেরহাটে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন বাগেরহাটে বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ সংরক্ষিত আসনের শহিদ পরিবার থেকে প্রার্থী চায় সংগ্রামী নেত্রী শারমিন সুলতানা রুমা জ্বালানি সংকট: মোংলা বন্দরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা

বাগেরহাটে কচুয়ায় নিহত যুবদল নেতার দাফন সম্পন্ন

রিপোর্টার- / ৩২৫ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে কচুয়ায় দূর্বৃত্তের হামলায় নিহত যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫)‘র দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বাদ আসর শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। মিন্টুর নামাজে জানাজায় রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন চলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

এর আগে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারেরকাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এদিকে হত্যার একদিন পার হয়ে গেলেও, এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।

হত্যার শিকার মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে, ৬ বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে। তিনি এক সময় কচুয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দুই স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে বাড়িতে ছিলেন মিন্টু। গভীর রাতে বড় স্ত্রীর সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ৮-১০জন লোক ঘরে প্রবেশ করে মিন্টু ও তার ছোট স্ত্রীকে বেধরক মারধর এবং কুপিয়ে আহত করে। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মিন্টুর মৃত্যু হয়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মিন্টুর বড় স্ত্রী ঝর্না বেগম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এখনও কেউ অভিযোগ করেণি। অভিযোগ পেলে মামলা হবে। এছাড়া হত্যার মূল কারণ অনুসন্ধ্যানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ