সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে আইনজীবি নিজাম উদ্দিন শান্তর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আদালত বর্জন করে মানববন্ধন  রামপাল খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে চায়না প্রতিনিধির পরিদর্শন উপকূলের স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়নের আশ্বাস মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেমপ্লেক্সসহ ৩ হাসপাতালে ঝটিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সফর বাগেরহাটের সেই ইকনকে আর্থিক সহযোগিতাসহ এক মাসের ছুটি দিল কৃষি ব্যাংক লবণ অধ্যুষিত উপকূলীয় এলাকার রামপালে সুপেয় পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংক বিতরণ  খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার সহায়তায় সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমুল্যে ধান বিক্রি করতে না পারায় কৃষকদের ক্ষোভ   শরণখোলা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম লাল আর নেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে-ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বাগেরহাট কৃষকদল নেতা বাদলসহ গণতন্ত্র পূর্ন প্রতিষ্ঠার জন্য যারা হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে, প্রত্যেকটার বিচার বাংলার মাটিতে হবে–জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল   সুন্দরবনে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জন আত্মসমর্পন

বাগেরহাটে কচুয়ায় নিহত যুবদল নেতার দাফন সম্পন্ন

রিপোর্টার- / ৪৪১ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে কচুয়ায় দূর্বৃত্তের হামলায় নিহত যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫)‘র দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বাদ আসর শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। মিন্টুর নামাজে জানাজায় রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন চলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

এর আগে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারেরকাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এদিকে হত্যার একদিন পার হয়ে গেলেও, এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।

হত্যার শিকার মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে, ৬ বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে। তিনি এক সময় কচুয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দুই স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে বাড়িতে ছিলেন মিন্টু। গভীর রাতে বড় স্ত্রীর সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ৮-১০জন লোক ঘরে প্রবেশ করে মিন্টু ও তার ছোট স্ত্রীকে বেধরক মারধর এবং কুপিয়ে আহত করে। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মিন্টুর মৃত্যু হয়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মিন্টুর বড় স্ত্রী ঝর্না বেগম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এখনও কেউ অভিযোগ করেণি। অভিযোগ পেলে মামলা হবে। এছাড়া হত্যার মূল কারণ অনুসন্ধ্যানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ