সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে একতা আন্ত: কল্যাণ সেবা সংঘের উদ্যোগে ৫ শতাধিক শীতার্ত পরিবার পেল কম্বল বাগেরহাট যদুনাথ স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১০৩ তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উদযাপন বাগেরহাট সংসদীয় ১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা বাগেরহাটে এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আলী হুসাইন সহ ১২ সদস্য পদত্যাগ সুন্দরবনে ১২ মন অবৈধ কাকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণীর মৃত্যু সুন্দরবনে কাকড়া ধরার অভিযোগে আটক ২ বাগেরহাটে আট দলীয় ভলিবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মৃত্যু বাগেরহাটে শরীফ ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

আলোর পথে ডেস্ক- / ৭৯ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

রাজধানীর বিজয়নগরে আল রাজী টাওয়ারের সামনে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে দু’পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগ করলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শুক্রবার রাতে এ ঘটনা প্রসঙ্গে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ৮টায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।

আইএসপিআর জানায়, ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে ও শান্তিপূর্ণভাবে স্থান ত্যাগ করতে এবং দেশের বিদ্যমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করার জন্য অনুরোধ জানান। তবে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কতিপয় নেতাকর্মী তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করেন। তারা সংগঠিতভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালান এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করেন। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালান।

এছাড়া বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করেন। ফলে জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। উল্লেখ্য, আজকের উদ্ভূত ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচজন সদস্য আহত হন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনয়নে সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ