মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের 

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

আলোর পথে ডেস্ক- / ২০১ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের টানা হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়িয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ৩টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে প্রায় দুই বছরে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৬৩ হাজার ২৫। তাঁদের একটি বড় অংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন দেড় লাখের বেশি মানুষ। নিখোঁজ রয়েছেন কয়েক হাজার।

জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যকে যথাযথ বললেও ইসরায়েল তা অস্বীকার করছে। তবে কিছু সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মতে, প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও বেশি। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া ইসরায়েলের একটি নথি বলছে, নিহতদের প্রায় ৮৩ শতাংশই বেসামরিক নাগরিক।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অপুষ্টিতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কেবল অপুষ্টিতেই প্রাণ হারিয়েছেন ৩২২ জন, তাঁদের মধ্যে ১২১ জন শিশু।

এ ছাড়া গত মার্চে নতুন করে অবরোধ আরোপের পর থেকে গাজায় ত্রাণ সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘসহ অন্যান্য সংস্থা কার্যত ত্রাণ বিতরণে অক্ষম। সীমিতসংখ্যক ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিতর্কিত সংস্থা গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) ত্রাণ বিতরণ শুরু করে। তবে এসব কেন্দ্রের আশপাশে ইসরায়েলি সেনা ও জিএইচএফের নিজস্ব অস্ত্রধারী বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২০৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৬ হাজার ২২৮ জন।

শুক্রবার বেলা ৩টা পর্যন্ত ইসরায়েলের বোমা হামলায় নতুন করে আহত হয়েছেন অন্তত ২২৪ জন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় আহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ জনে।

শুধু গাজাই নয়, পশ্চিম তীরেও সহিংসতা বেড়েই চলেছে। সেখানে ইসরায়েলি সেনা ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত এক হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ