শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ফাদার রিগনের কাছে ঋনী শরণখোলায় নবনির্মিত মসজিদের রড-সিমেন্ট চুরি, গভীর রাতে ভরাট বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে চতুর্থ দিনের মত কর্মবিরতি অব্যাহত মোল্লাহাটে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যানের যোগদান জামায়াতে ইসলামীর মাধ্যমে মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে-শেখ মনজুরুল হক রাহাদ কালো টাকা ও পেশি শক্তির কারণে এলাকায় আতঙ্ক–জামায়াত নেতা অধ্যাপক মশিউর রহমান প্রবাসীর সহায়তায় শরণখোলার এতিমখানায় নতুন শ্রেণীকক্ষ, টিনের ছাউনিতে ফিরল স্বস্তি বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা, অফিসে তালা ও ভাংচুরের অভিযোগ  মানুষের নিরাপত্তা ও নারীদের কর্মসংস্থানে কাজ করবে বিএনপি- ফরিদুল ইসলাম বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে তৃতীয় দিনের মত কর্মবিরতি অব্যাহত

খুলনা-মোংলা মহাসড়কে দূর্ঘটনা এড়াতে চার লেনের দাবিতে মানববন্ধন

রিপোর্টার- / ২২৯ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. খুলনা-মোংলা মহাসড়কে দূর্ঘটনা এড়াতে এবং চার লেনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি। রবিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি রামপাল উপজেলা শাখার ব্যানারে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের ফয়লাহাট মোড়ে  ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে “প্রেসক্লাব রামপাল” এর নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্যে দেন রামপাল উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক মো. মাজিদুর রহমান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক গাজী সাকিব, প্রেসক্লাব রামপাল এর সভাপতি এম, এ সবুর রানা, উপজেলা এনসিপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সোহান শেখ, বাইনতলা ইউনিয়নের আহবায়ক সোলাইমান, উজলকুড় ইউনিয়নে আহবায়ক মিরাজুল ইসলাম, গৌরম্ভা ইউনিয়নের আহবায়ক ইবাদুল ইসলাম, রামপাল সদর ইউনিয়নের সদস্য সচিব মামুন সরদারসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় তাজা প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। খুলনা–মোংলা মহাসড়কে এখন জনদুর্ভোগের পাশাপাশি জননিরাপত্তার বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে।তারা অবিলম্বে মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা, দুর্ঘটনা রোধে সড়কে কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধি এবং রাতের সময় ভারী যানবাহন চলাচল করার দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, খুলনা-মোংলা মহাসড়কে থ্রি-হুইলার, নসিমন, করিমন, মাহিন্দ্রা, অটোভ্যানসহ সব অননুমোদিত যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে।রোডস্ অ্যান্ড হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক বিভাগের কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অব্যবস্থাপনা ও দখলদারিত্ব বেড়েছে। তারা দাবি করেন, রাস্তার দুই পাশের সরকারি জায়গা উদ্ধার, অবৈধ বাসস্ট্যান্ডগুলো অপসারণ, রাতে সোলার স্ট্রিটলাইট স্থাপন, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, মোংলা বন্দর ও ইপিজেড এলাকার ফিটনেসবিহীন ট্রাক চলাচল বন্ধ এবং ২৭ টনের ভার বহন ক্ষমতার বাইরে কোন ভারী যানবাহন চলাচল সীমিত করতে হবে।এ ছাড়াও বক্তারা দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আহ্বান জানান এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে মহাসড়ক নিরাপদ করার দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ